শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০১০

কিছুই যখন করার নাই.... দাওয়াত দিলাম।

বাংলাদেশ সময় আজকে রাত ১১টা - ১২টা এই ১ ঘন্টা সময়ে কেউ কিছুই করতে পারবে না /:)। এই সময়ের মধ্যে -

# সামহোয়ারইন ব্লগে কেউ কিছু পোস্ট করবে না।
# ওই ১ ঘন্টা কোন লোডশেডিং থাকবে না (কি মজা)।
# কোন যানবাহন ১ সে. মি. নড়াচড়া করতে পারবে না।
# টিভিতে কোন অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে না (কেউ চাইলেও বিটিভি দেখতে পারবে না... বাইচ্যা গেছি;))।
# কোন দম্পতি ঝগড়া করতে পারবে না।
# কোন ছাত্র লেখাপড়া করতে পারবে না।
# কোন ছিনতাইকারি ছিনতাই করতে পারবে না (আরামে রাস্তাঘাটে ঘুরাঘুরি করা যাইবো)।
..........
..........




.........
# কেউ কিছুই করতে পারবে না।

অতএব, হুদা বইয়া থাইক্যা লাভ কি? আমার বাসায় আইসা পরেন। আপনাগো সবাইরে আমার দাওয়াত। রাইত ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত এর মধ্যে আইসা পরেন। খাওয়ামু। তয় ১২ পরে আইলে বা ১১টার আগে কইলাম কাম অইব না।

আমার করিবার কিছু ছিল না - (দ্বিতীয় এবং শেষ অংশ)

প্রথম অংশ এইখানে

আমি সিদ্ধান্ত লইলাম, পরের দিন আগে আগে গিয়া হাজির হইবো, দেখিব কি হয়। সকাল দশটার মধ্যে আমি জায়গামত চলিয়া গেলাম। দেখি দস্তুর অবস্থা। লোকে লোকারণ্য। প্রার্থীদের সংখ্যার চাইতে উহাদের অভিভাবকদের সংখ্যাই বেশি। উনারা মুঠোফোনের মাধ্যমে এটা সেটা বলিতেছেন। আমি কয়েকজনকে প্রশ্ন করিয়া খুজিয়া পাইলাম, আমার ভাইভা দুপুর ১২টায়, ভূল বশতঃ রাত্রি ১২টা লিখা হইয়াছিল। যাহা হউক, আমি আমার জন্য নির্ধারিত কক্ষের সামনে অপেক্ষা করিতে লাগিলাম। যথাসময়ে মাস্টার্স এর প্রার্থীদের ভাইভা শুরু হইলো। একজন করিয়া রুমের ভিতরে যাইতেছে, আর ২/৩ মিনিটের মাথায় বাহির হইয়া আসিতেছে। আমার ভিতরে টেনশন কাজ করা শেষ, এখন ঝড় শুরু হইবে এমন উপক্রম। এমন সময়, আমার পূর্বপরিচিত একজন মেয়ে অন্য একটি কক্ষ থেকে বাহির হইয়া আসিতেছে দেখিয়া উহাকে জিঞ্গাসা করিলাম, সেও কি আমার মতো উহাদের ডাকে এইখানে আসিয়াছে কিনা? মেয়েটি হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়িল। তারপর কথাপ্রসঞ্গে বাহির হইল তাহার ক্রম আমার একজন আগে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই তাহার ডাক পড়িল। আমি দোয়া-দরুদ পড়িতে লাগিলাম আর মনে মনে প্রার্থনা করিতে লাগিলাম যাতে আমার বিভাগীয় প্রধান ভাইভা বোর্ড এ না থাকেন। একটু পরেই আমার ডাক পড়িল, কোন কিছু বোঝার আগেই সয়ংক্রিয়ভাবে ভাইভা বোর্ডের সামনে হাজির হইয়া গেলাম। আমার বিভাগীয় প্রধান নাই দেখিয়া অন্তরে শান্তি আসিল। অতঃপর ভাইভা শুরু হইলো:

প্রশ্নঃ আপনার নাম কি?
উত্তরঃ [আমি আমার নাম বলিলাম]।
প্রশ্নঃ কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
উত্তরঃ [আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বলিলাম]।
প্রশ্নঃ আপনার এস এস সি এর নম্বর কত?
উত্তরঃ [আমি আমার এস এস সি এর নম্বর বলিলাম]।
প্রশ্নঃ আপনার এইচ এস সি এর নম্বর কত?
উত্তরঃ [আমি আমার এইচ এস সি এর নম্বর বলিলাম]।
প্রশ্নঃ আপনার গ্রাজুয়েশন এর রেজাল্ট কি?
উত্তরঃ [আমি আমার গ্রাজুয়েশন এর রেজাল্ট বলিলাম]।
প্রশ্নঃ আপনি কোন সালে গ্রাজুয়েশন করিয়াছেন?
উত্তরঃ [আমি আমার গ্রাজুয়েশন এর সাল বলিলাম]।
প্রশ্নঃ আপনি এখন কি করিতেছেন?
উত্তরঃ একটা সফটওয়্যার ফার্মে চাকুরি করিতেছি।
প্রশ্নঃ আপনার কোন পাব্লিশড পেপার আছে?
উত্তরঃ আছে।
আচ্ছা ঠিক আছে, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার ভাইভা শেষ।

আমি থতমত খাইয়া বোর্ড থেকে বাহির হইয়া দেখি প্রার্থীরা সবাই কানাঘুষা করিতেছেন। পরে তাহাদের মুখ হইতে জানিতে পারিলাম ওইদিন বিকালেই ফল প্রকাশ করা হইবে এবং তাহাদের সবাইকে একই প্রশ্ন করা হইয়াছিল। কোন কিছুই মাথায় ঢুকিল না, সোজা অফিসে আসিয়া হাজির হইলাম। আসার পূর্বে যোগাযোগের জন্য ফোন নাম্বার নিয়া আসিলাম।

সেইদিন বৈকালে অনেক চেষ্টা চরিত্র করিয়াও উহাদের মুঠোফোনে সংযোগ স্থাপন করিতে না পারিয়া ক্ষান্ত দিলাম। পরেরদিনও একই অবস্থা। অবশেষে, আমার এক বন্ধু হাত বাড়াইয়া দিলো। সে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হইতে ল্যান্ডফোন হইতে ফোন করিয়া খোঁজ নিয়া আমাকে জানাইলো যে, ওই পোস্টের জন্য কাহাকেও নির্বাচন করা হয় নাই। আমি বলিলাম, একজনও না? সে বলিল, না।

আমি অবাক হইলাম, কারণ যে প্রশ্নগুলো করা হইয়াছিল তাহাতে সবারই ১০০% সঠিক উত্তর দেওয়ার কথা (এপ্লিকেশন এ সেইসব তথ্যগুলো দিতে হইয়াছিল), সেই হিসাবে সবারই তো সিলেক্টেড হইবার কথা। ২ খানা পোস্টের বিপরীতে ১০ জনকে লওয়া তো সম্ভব না, কিন্তু ১জনকেও লওয়া হইলো না এইটা কেমন কথা? অতঃপর, ভাবিতে লাগিলাম -

আমার কি করিবার কিছু ছিল?

আমার করিবার কিছু ছিল না - (প্রথম অংশ)

অনেক খাটাখাটনি হইলো, তাহাতে কি? এপ্লিকেশনটা তো করা হইলো। সেই সক্কাল থেকে অফিস বাদ দিয়া এইদিকে সেইদিকে দৌড়াইতেছি, আমি আর আমার বন্ধুদ্বয়। ফিরিবার পথে দেশের ব্যবস্হাপনার চৌদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করিতেছি, আর ভাবিতেছি, আর যাই হোক, কাজটা করা তো হইলো।

তার কিছুদিন পর বাসায় একখানা পত্র আসিয়া হাজির। পত্রের বিষয়বস্তু: আমাকে ডাকিয়াছে, উনাদের সাথে দেখা করিতে হইবে। আমি আনন্দিত হইয়া মুঠোফোনে আমার বন্ধুদ্বয়কে ফোন করিলাম। বলিলাম, বন্ধুরা, আমাকে তো ডাকিয়াছে, তোমাদিগের কি খবর? উহারা আমাকে নিরাশ করিয়া বলিল, না, তাহারা এমন কোন পত্র পায় নাই। আমি তো চিন্তায় পরিলাম। যাহা হউক, চিন্তা ভাবনা দূর করিয়া ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে আরম্ভ করিলাম, কি না কি কহিতে বলে, পরে না পারিয়া লজ্জা পাইতে হইবে। আমার টেনশন আরো প্রকট আকার ধারণ করিল যখন শুনিতে পাইলাম আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানও সাক্ষাৎকার বোর্ড এ আছেন। পুরাই মান - ইজ্জতের সওয়াল হইয়া দাড়াইয়াছে।

যাহা হউক, আমি অফিস হইতে কয়েক দিনের ছুটি লইলাম, বন্ধুদিগের কাছ হইতে দুই একটা করিয়া বইপত্র চাহিয়া লইয়া আসিলাম। অত:পর বই ত্যাগের প্রায় দেড় বৎসর পর আবার চেয়ার টেবিলে বসিয়া পড়াশুনা আরম্ভ করিলাম। ক্রমে ক্রমে পরীক্ষার দিনক্ষণ আগাইয়া আসিতে লাগিলো, আর আমার টেনশন বাড়িতে লাগিলো। পরীক্ষার আগের দিন বাসায় আমার মামা আসিয়া হাজির। উনি কহিলেন, ভাগিনা, কি করিতেছ? আমি বলিলাম, মামা কালকে আমার পরীক্ষা, ডিসটার্ব করিয়েন না। মামা বলিল, কিসের পরীক্ষা? আমি বলিলাম, স্কলারশিপের ভাইভা। মামা বলিল, অ, কয়টায়? আমি বিরক্ত হইয়া উহাকে আমার পত্রখানা হাতে ধরাইয়া দিলাম, বলিলাম, এইখানে লিখা আছে। তুমি দেখিয়া লও। মামা পত্রখানা হাতে নিয়া কিছুক্ষণ দেখিয়া আমার মুখের দিকে চাহিয়া কি জানি দেখিতে লাগিল। আমি বলিলাম, কি হইছে, কোন সমস্যা। মামা বলিল, ভাগিনা, তুমি কাহাদের নিকট পরীক্ষা দিতে যাইবে? ইহারা তো তোমাকে আজিকে মধ্য রাত্তিরে দেখা করিতে বলিয়াছে। আমি অবাক হইয়া বলিলাম, তাই নাকি? তারপর পত্রখানা হাতে লইয়া তো আমার চক্ষু চড়কগাছ। বাস্তবিকই আমাকে উহারা মধ্য রাত্রিতে দেখা করিতে বলিয়াছে। ঘড়ির কাটা তখন ৫টা পার হইয়া গিয়াছে। আমি অনেক খুজাখুজি করিয়াও পত্রে উহাদের যোগাযোগের নম্বর খুজিয়া পাইলাম না। অত:পর কি করা যায়, ভাবিয়া কূল কিনারা না পাইয়া সিদ্ধান্ত লইলাম, যা হওয়ার হইবে, দরকার হইলে স্কলারশীপ মিস হইবে তবুও আমি মধ্য রাত্তিরে ওদের ওইখানে যাইবো না :P

[টাইপ করা শেষ হওয়া মাত্র বাকি অংশ আসিবে :)]



দ্বিতীয় অংশ এইখানে

হায় সেলুকাস!!! কি বিচিত্র এই দেশ।

দেশ ডিজিটাল হইতাছে। আর এখনও তাছলিমা বেগম এর মত মায়েরা পেটের জন্য নিজের সন্তান বিক্রি করে।

এইখানে

Are we prepared for this?

Unexpectedly, the country is now polarized into two parts, one is supporting BDR and other is supporting Bangladesh Army. To be more appropriate, it can be said that they are blaming each other. It is also observed that our political leaders have started to blame opposition for the mutiny that took place inside BDR Headquarter. Still there is a belief in people’s mind that the mutiny was spontaneously done by the BDR jawans. Is it really the case? Was there no-body behind these less-educated people to do such a massive kill? Was it only for fulfillment of their demand? The answer is a big NO. There must exist some forces, which planned it and then executed it in very professional fashion within very short time using the rage of jawans against their officers.

Now, Bangladesh Army is the pride of country. It is showing its supremacy in every sector where it is brought into play in either home or abroad. We beg our hands to this force when we are in trouble knowing that they will pick us up from the worst. They are the most sophisticated part of our nation. To strike in the heart of such a force is not matter of joke. The incident of February 25 makes me to feel like December 14 of 1971, when they slaughtered the most intelligent sons of our nation.

In recent days, the people of Bangladesh is urging for the trial of war criminals. Decades have been passed away. These war criminals have washed many of our brains already to strengthen their base. In any condition, they haven’t done this for the welfare or the countrymen. Now, the appeal for the trial has got spotlight both by the people and the government. They are trying to threat, “DO NOT TRY TO TOUCH US, WE CAN DO ANYTHING”. They are making us to believe that they have their agents in every sector. The approach they took in every capturing is also similar to this very massacre. It is easy to motivate a comparatively weaker side, paramilitary rather military. And now we are watching their success.

Government must take proper initiatives to investigate in effective way thus no God-father can escape. The heart of these types of things should be uprooted. They must be taken under capital sentence; not only the doll like BDR people. Hundreds of souls of Army officers are waiting for that. Otherwise in one fine morning we all will find ourselves in a country like Afghanistan. Are we prepared for this?

X(

ঘটনাটা এ রকম।

একজনকে ডাঙ্গা থেকে পানিতে ফেলে দিলাম, তারপর সে কিছুক্ষণ লাফালাফি করার পর আবার তারে ডাঙ্গায় তুললাম। এইবার তারে খুশি করার জন্য বললাম, দেখছো আমি কত ভালো, তোমাকে পানি থেকে তুললাম।:P

এইটা কি কিছু হইলো নাকি? আমাকে ফেলার কি দরকার ছিল?

এখানে যেটা হলো তা হলো সস্তা নাটক। এইরকম বস্তাপচা কাহিনী মানুষকে আর কত খাওয়ানো যায়?

তুমি যদি নিজেকে এতই ভালো দাবি কর, তাহলে, যাদের পানিতে ফেলা দরকার তাদের পানিতে ফেল না কেন?

তুমি কেন বুঝতে চেষ্টা কর না (নাকি বুঝতে চাও না!!!) যে, ঝকঝকে তকতকে বেশ্যালয়ের থেকে আমার ভাঙাবাড়িই ভালো।

আনকভারিং আইডেন্টিটি - ১৯৭১:বাংলাদেশ।

বিজয় দিবসে কিছু একটা করার ইচ্ছা ছিল, একটা কুইজ সাইট চালু করলাম।

আপনারা সবাই একটু দেখে আসুন।

লিংক দিলাম এইখানে

===========

We all know the answer of the question "Tomader Ja Bolar Silo, Bolse Ki Ta Bangladesh?"

But why we are asking this question? Do you ever ask yourself? How many of us do think about it? A very few. How many days in a year we talk about our Liberation war? Maximum 3 to 4 days.

Our thoughts are becoming distracted day by day. The glorious history of Liberation War has become a vague term to many young people. At the same time, the War Criminals are trying to misguide general people. Bringing those killers and rapists of 1971 to justice will be the first step to answer the first question.